১৯৯৬ সালে যারা এসএসসি দিয়েছিলাম — দেশের যেকোনো প্রান্তে বা প্রবাসে — সবার জন্য একটি যাচাই-করা, নিরাপদ মিলনমেলা।
আমরা কোনো টাকা লেনদেন করি না — এটা ব্যবসা নয়, শুধু বন্ধুত্বশুরুতেই পরিষ্কার করে বলি
ইভেন্ট বা প্রোগ্রাম করে টাকা আয় করা আমাদের উদ্দেশ্য না। উদ্দেশ্য একটাই — ৯৬ ব্যাচের বন্ধুরা যেন সহজে একে অপরকে খুঁজে পায় আর একসাথে থাকে।
কাজে, বেড়াতে বা বদলি হয়ে অন্য জেলা বা নির্দিষ্ট কোনো থানায় গেলেন? সেখানে ৯৬ ব্যাচের কোন কোন বন্ধু থাকেন — জেলা আর থানা বাছাই করে এক মুহূর্তে খুঁজে নিন।
জেলা: রাজশাহীথানা: বোয়ালিয়া
এখানে থাকেন আপনার ব্যাচের বন্ধুরা
ফেসবুক গ্রুপ, হোয়াটসঅ্যাপ আর খাতা-কলমে যেভাবে পুনর্মিলনী, ইফতার মাহফিল বা সেবা কর্মসূচি করতেন — ঠিক সেভাবেই করবেন। পার্থক্য শুধু একটাই: সব কিছু এক জায়গায়, গোছানো আর সবার চোখের সামনে।
ফোন নম্বর আর ইমেইল — চাইলেই লুকিয়ে রাখুন
শুরুতে আপনার নম্বর আর ইমেইল লুকানোই থাকে। চাইলে শুধু স্কুলের বন্ধুদের দেখান, বা সবার জন্য খুলে দিন — সেটিংস থেকে যেকোনো সময় এক চাপে বদলানো যায়। লুকানো থাকলে অন্য কেউ দেখতে পায় না।
মনে পড়ে?
একসময় একই বেঞ্চে বসে টিফিন ভাগ করেছি, পরীক্ষার আগের রাতে একে অপরকে সাহস দিয়েছি, রেজাল্টের দিন একসাথে কেঁদেছি-হেসেছি। তারপর পড়াশোনা, চাকরি, সংসার, শহর বদল — কত বছর কেটে গেল, অনেকের খোঁজই আর রাখা হয়নি। অথচ আজও পুরনো কোনো বন্ধুর গলা শুনলে মনটা এক মুহূর্তে ফিরে যায় সেই স্কুলের মাঠে।
জীবনের মাঝপথে এসে ব্যস্ততা, দায়িত্ব আর মাঝে মাঝে একাকীত্ব — এই সময়ে পুরনো বন্ধুর একটা ফোন, একটা আড্ডা অনেক সময় সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে দাঁড়ায়। আমরা চাই কেউ যেন একা না থাকে।
পুনর্মিলনী, ইফতার, পারিবারিক সমাবেশ, চায়ের আড্ডা — আবার একসাথে হাসি, ছবি, পুরনো গল্প। নিজের জেলায় হোক বা অন্য শহরে, বন্ধুরা ডাকলেই মিলনমেলা।
কোনো বন্ধু বা তার পরিবার বিপদে পড়লে, বন্যা-শীতে মানুষ কষ্টে থাকলে — আমরা পাশে দাঁড়াই। রক্তদান, ত্রাণ, চিকিৎসা সহায়তা — বন্ধুর জন্য বন্ধু, মানুষের জন্য মানুষ।
যে সমাজ, যে স্কুল আমাদের বড় করেছে, তাকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়া — শিক্ষাবৃত্তি, মেডিকেল ক্যাম্প, বৃক্ষরোপণ, নিজের পুরনো স্কুলের পাশে দাঁড়ানো।
“বয়স বেড়েছে, চুলে পাক ধরেছে — কিন্তু বন্ধুর ডাকে আজও আমরা সেই ষোলো বছরের।”
সহজ তিন ধাপ
প্রতিটি সদস্যকে তার নিজের স্কুলের বন্ধুরাই চেনে ও নিশ্চিত করে। তাই এখানে ভুয়া প্রোফাইল বা অপরিচিত মানুষের জায়গা নেই।
মোবাইলে ৪ সংখ্যার কোড আসবে। স্কুল, বোর্ড আর রোল দিয়ে প্রোফাইল তৈরি করুন — সম্পূর্ণ ফ্রি।
যে বন্ধু আমন্ত্রণ পাঠিয়েছে বা স্কুলের কোনো যাচাই-করা বন্ধু “আমি চিনি” বললেই আপনি যাচাই-করা সদস্য। কাউকে না পেলে এসএসসি সনদের ছবি দিন — অ্যাডমিন দেখে যাচাই করবেন। ভুয়া প্রোফাইলের জায়গা নেই।
বন্ধুদের খুঁজুন, বার্তা পাঠান, পুনর্মিলনীতে যোগ দিন, একসাথে সমাজের জন্য কিছু করুন।
যা যা পাচ্ছেন
নাম, স্কুল, পেশা, জেলা বা থানা দিয়ে — হারিয়ে যাওয়া বন্ধুকে আবার খুঁজে নিন।
স্কুল, এলাকা বা বন্ধুদের গ্রুপ ভিত্তিক ইভেন্ট ঘোষণা, রেজিস্ট্রেশন আর QR টিকিট।
টাকা থাকে আয়োজক বন্ধুদের কাছেই, প্ল্যাটফর্ম ছোঁয় না। কে কত দিল, কোথায় কত খরচ — রসিদসহ দেখবেন সেই ইভেন্টের অংশগ্রহণকারীরা।
ত্রাণ, রক্তদান, মেডিকেল ক্যাম্প, শিক্ষাবৃত্তি — পেশা দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক খুঁজুন।
জরুরি মুহূর্তে রক্তের গ্রুপ আর জেলা দিয়ে বন্ধু রক্তদাতা খুঁজুন।
নম্বর আর QR সহ কুপন, এক স্ক্যানে একবারই। প্রজেক্টরে স্বচ্ছ র্যাফেল ড্র।
স্কুলের বন্ধু আর কানেকশনদের সাথে নিরাপদে কথা বলুন।
যাচাই-করা সদস্যদের জন্য QR সহ ডিজিটাল আইডি কার্ড।
ঢাকা পুনর্মিলনী — হিসাব
অংশগ্রহণকারীদের জন্যসংগ্রহ
৳৩,৬০,০০০
খরচ
৳২,৮৫,৫০০
ব্যালেন্স
৳৭৪,৫০০
আয়োজকদের জন্য
SSC 96 Network কোনো টাকা গ্রহণ, সংরক্ষণ বা লেনদেন করে না। টাকা যায় সরাসরি আয়োজকের কাছে — প্ল্যাটফর্ম শুধু হিসাব দেখায়।
আমাদের সেবা কার্যক্রম
ত্রাণ, রক্তদান, মেডিকেল ক্যাম্প, শিক্ষাবৃত্তি, বৃক্ষরোপণ — ৯৬ ব্যাচের বন্ধুরা যেখানেই আছে, মানুষের পাশে।
ত্রাণ বিতরণ
প্রথম কর্মসূচির প্রতিবেদন এখানে দেখা যাবে
রক্তদান ক্যাম্প
প্রথম কর্মসূচির প্রতিবেদন এখানে দেখা যাবে
মেডিকেল ক্যাম্প
প্রথম কর্মসূচির প্রতিবেদন এখানে দেখা যাবে
শিক্ষাবৃত্তি
প্রথম কর্মসূচির প্রতিবেদন এখানে দেখা যাবে